অনলাইন বাংলা সংবাদ পত্র

শান্তির নোবেল জ্বলছে অশান্তির আগুনে -এম এ মোতালিব

60

এ কী নির্মমতা হচ্ছে শান্তির জন্য নোবেলজয়ী সু চির দেশ মিয়ানমারে? তাদের ধর্মেই তো আছে অহিংসা ও মানবতাই পরম ধর্ম! এই কি তার নমুনা? শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি যেন আজ হায়েনার রূপ ধারণ করেছে। রোহিঙ্গা নির্যাতনে উন্মত্ততা হয়ে পড়েছে তার সামরিক জান্তা বাহিনী। কিন্তু কারা এই রোহিঙ্গা, যাদের ওপর চলছে সু চির নির্যাতনের স্টিমরোলার?

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসবাস হলো বর্তমান মিয়ানমারের ‘রোসাং’-এর অপভ্রংশ ‘রোহাং’ এলাকায়। এটি আরাকানের মধ্যযোগীয় নাম। আরাকানের প্রাচীন নাম রূহ্ম জনপদ। রাখাইন প্রদেশে পূর্ব ভারত থেকে প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ বছর আগে অস্ট্রিক জাতির একটি শাখা কুরুখ (Kurukh) নৃগোষ্ঠী প্রথম বসতি স্থাপন করে। ক্রমান্বয়ে বাঙালি হিন্দু (পরবর্তী সময়ে ধর্মান্তরিত মুসলিম), পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বসতি স্থাপন করে। এসব নৃগোষ্ঠীর শংকরজাত জনগোষ্ঠীই হলো এই রোহিঙ্গা। এরা মূলত আরাকান বা রাখাইনের একমাত্র ভূমিপুত্র জাতি। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে তাদের ভাষায়।
১০৪৪ খ্রিস্টাব্দে আরাকান রাজ্য দখলদার কট্টর বৌদ্ধ বর্মী রাজা আনাওয়াহতা (অহধধিযঃধ) মগদের বার্মা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করে বৌদ্ধ বসতি স্থাপন করেন। রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল দক্ষিণে বার্মার বংশোদ্ভুত ‘মগ’, যারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং উত্তরে ভারতীয় বংশোদ্ভুত রোহিঙ্গা।
অষ্টম শতাব্দীতে আরবদের আগমনের মধ্য দিয়ে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু হয়। এই অঞ্চলে বসবাসরত মুসলিম জনগোষ্ঠীই পরবর্তী সময়ে রোহিঙ্গা নামে পরিচিতি লাভ করে। নবম-দশম শতাব্দীতে আরাকান রাজ্য ‘রোহান’ বা ‘রোহাং’ নামে পরিচিত ছিল। সেই অঞ্চলের অধিবাসী হিসেবেই ‘রোহিঙ্গা’ শব্দের উদ্ভব হয়। তবে ঠিক কবে থেকে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়ে আসছে তার সঠিক সময় জানা যায়নি।
রোহিঙ্গা সম্পর্কে আরো একটি প্রচলিত মতবাদ রয়েছে। তা হলো, সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেছিল, আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছি! এই ‘রহমত’ থেকেই এসেছে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি। তবে মধ্যযুগে ওখানকার রাজসভার বাংলা সাহিত্যের লেখকরা ওই রাজ্যকে ‘রোসাং’ বা ‘রোসাঙ্গ’ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রোসাঙ্গ রাজ্যের রাজভাষা ফার্সির সঙ্গে বাংলা ভাষাও রাজসভায় সমাদৃত ছিল।
১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহাঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল। মিয়ানমারের রাজা বোদাওফায়া এ রাজ্য দখল করার পর চরম বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু হয়। এ ভূখণ্ড একসময় ব্রিটিশদের দখলে আসে। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কি না, সেটাও প্রশ্ন আকারে দেখা দেয়। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভুল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা।
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মিয়ানমার স্বাধীনতা অর্জন করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে। সে সময় পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্বও ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন পদস্থ সরকারি দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে মিয়ানমারের যাত্রাপথ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে থাকে। আর তখন থেকে রোহিঙ্গাদের জীবনে শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে এবং তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার শুরু হয় তাদের ওপর। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। নির্মম হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে তাদের ওপর নিয়মিত ঘটনা। যবরদখল করা হয় তাদের সহায়সম্পত্তি। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ কেড়ে নেওয়া হয়। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। তাদের সংখ্যা যাতে বাড়তে না পারে, সে জন্য রোহিঙ্গাদের জন্য বিবাহ নিয়ন্ত্রণ আইন করে মিয়ানমার সরকার। বিয়ে করতে হলে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে আবেদন করতে হয়। কোনো রোহিঙ্গা অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। এভাবে একের পর এক আরোপিত হয় নানা বিধিনিষেধ।
বর্তমান পরিস্থিতি : রোহিঙ্গা আদিবাসী জনগোষ্ঠী পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি উল্লেখযোগ্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী, যাদের বেশির ভাগই ইসলাম ধর্মানুসারী। অল্প কিছুসংখ্যক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও রয়েছে। রোহিঙ্গাদের আলাদা ভাষা থাকলেও তা অলিখিত। মিয়ানমারের আকিয়াব, রেথেডাং, বুথিডাং, মংডু, কিয়কতাও, মামব্রা, পাত্তরকিল্লা, কাইউকপাইউ, পুন্যাগুন ও পাউকতাউ এলাকায় এদের নিরঙ্কুশ বসবাস। এ ছাড়া মিনবিয়া, মাইবন ও আন এলাকায় মিশ্রভাবে বসবাস করে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাস করলেও সেখানে তাদের কোনো নাগরিকত্ব নেই। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে তারা অকথ্য নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে যার ভয়ংকর ও বীভৎস চিত্র প্রকাশিত হচ্ছে। মানবতা সেখানে অসহায়। সবার মুখে এখন একটাই প্রশ্নÑশান্তিতে নোবেল পাওয়া অং সান সু চির রাজ্যে এ কেমন নৃশংসতা! রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক জান্তার নৃশংসতা বিশ্ববিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সু চির নোবেল প্রাইজ আজ পদে পদে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। তাদের অকথ্য নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত ও সর্বস্বান্ত হয়ে দলে দলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা এখন বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মিথ্যার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সু চি বলেছেন, ‘মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরাই বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে’। গত মঙ্গলবারই রোহিঙ্গা নিধন নিয়ে নীরবতা ভেঙে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি দাবি করেছিলেন, রাখাইনে সংঘাতের যেসব ছবি প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলোর সবই ভুয়া। সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিতেই নাকি এমনটি করা হচ্ছে। সু চির ওই সব দাবি ইতিমধ্যে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সারা বিশ্ব রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের মানবিক বিপর্যয় দেখছে। এগুলো ‘গণহত্যা’ নাকি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে গণ্য হবে তা নিয়ে বিশ্লেষকরা আইনি বিশ্লেষণ করছেন। কোন পরিস্থিতিতে গত ২৫ আগস্ট রাত থেকে রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ চলছে এবং কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে নিজেদের বাসস্থান ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে হয়েছে তার কোনো সঠিক জবাব মেলেনি সু চির বক্তব্যে। আলজাজিরার অনলাইনে এক নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানিয়ান স্টাডিজ ও কম্পারেটিভ লিটারেচারের হ্যাভক কেভোরকিয়ান অধ্যাপক হামিদ দাবাশি লিখেছেন, “অং সান সু চি নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য নন। গণহত্যায় ভয়াবহভাবে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তির ‘নোবেল বিজয়ী’ খেতাব থাকা উচিত নয়।”
শুধু তা-ই নয়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মানবিক সমস্যা নিরসনে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসও। চিঠিতে তিনি বলেন, “দশকের পর দশক ধরে চলা নির্যাতন র‌্যাডিকালাইজেশনের জন্ম দিচ্ছে, যা ‘রাখাইন অ্যাডভাইজরি কমিশন’ যথাযথই উপলব্ধি করেছে। এই ভীতি থেকে র‌্যাডিকেলদের দ্বারা মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আক্রমণ একটি বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। ফলে এই এলাকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠনশীল উদ্যোগ নেওয়া না হলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকবে, যা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এই ক্রমাগত সহিংসতা বন্ধ করতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কর্মপন্থায় সাহসী পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। মিয়ানমার সরকারকে জানিয়ে দেওয়া দরকার যে সে দেশের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অর্থায়ন রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমার সরকারের নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। মিয়ানমার সরকারকে জানিয়ে দেওয়া দরকার যে অপপ্রচার, ঘৃণা ও সহিংসতার উসকানি বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে, নিবর্তনমূলক বিভিন্ন নীতি ও আইন বাতিল করতে হবে এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নয়Ñদেশটির কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের শিক্ষা আন্দোলনকর্মী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই। তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি মিয়ানমারেরই না হয়ে থাকেন তবে তারা কিভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেখানে বসবাস করছে?’ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানান মালালা। একইসঙ্গে দেশটিতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়ে সেই দেশের শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সাং সূচির নীরবতার সমালোচনাও করেছেন তিনি।
শুধু তা-ই নয়, রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের এই অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ হিসেবে মালদ্বীপ তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কও ছিন্ন করেছে। ভারতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করছে। বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বিবেকবান প্রতিটি মানুষ আজ ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চির রাষ্ট্রযন্ত্রকে। উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত নিষ্পত্তি চাচ্ছে জাতিসংঘও। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, তুরস্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব ইউসুফ আল ওথাইমানও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশা দূর করতে ইইউ ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন। ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেদরিকো মুঘেরিনি, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জেইদ রাদ আল হোসেইন ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডিকে লেখা আলাদা চিঠিতে তিনি এই আহ্বান জানান।
বিশ্ববিবেক গর্জে ওঠার আগে যত দ্রুত সম্ভব এর আশু সমাধান জরুরি। আশা করি মিথ্যাচার ভুলে উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানকল্পে মানবতাবোধ জাগ্রহ হবে, বোধোদয় হবে শান্তিতে বিশ্ব-সার্টিফিকেটধারী সু চির। আর এটা যত দ্রুত হবে ততই মঙ্গল।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক
ই-মেইল : mmotalibd2k@yahoo.com
মোবাইল : ০১৭১৩ ০৬৭৬২০

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭/সত্যের সৈনিক/সুলতান মাহমুদ

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.