গুরু ভজন -মমিনুল মমিন

দীক্ষাদানে জ্ঞানের বানে শ্রদ্ধাজনে যে’বা,
তাঁর স্মরণে নব বরণে নিত্য করো সেবা।
সে আচরণে না কারো মনে জমে না ক্লেশ,
হীনতা হবে গুরুর তবে তুমিও শেষ।
তবে কি দিলে যত টা নিলে?
জবাব মিলে সিদ্ধি হিলে।

শিশু খলিফা আবু হানিফা ওস্তাদ কী বোঝে!
মরুর বুকে দৈন্য দুখে দীক্ষা নিতে রোজে-
উষর পায়ে জ্ঞানের দায়ে মাদ্রাসাতে,
গুরুর জুতা ধনে গো ছুতা মান ভাসাতে।
যত্ন করে সে টুপি পরে,
মাথায় ধরে আসীন গড়ে।

সেদিন পর উঠলো ঝড় বেত্রাঘাত শুরু,
মারের চোটে মুখ না ফুটে মারেন যত গুরু।
হাসে শিষ্য হয়ে নিঃস্ব নেই যে উপায়,
খর্ব হবে ভেবেই তবে পড়ে নি পায়।
অবাক হয়ে! অশ্রু বয়ে,
প্রেমের জয়ে বিশ্ব লয়ে।

যে’জন প্রাতে কিংবা রাতে দিশারি হয়ে এলো,
তাঁর চরণে দিন মরণে পুষ্প জল ঢেলো।
জানালা তার দিব্য দ্বার আলো সাধিতে,
ওস্তাদ সে হৃদ আরশে প্রেম বাঁধিতে।
এহেন প্রেমে না থেমে থেমে,
জমিনে নেমে যাও না ঘেমে।

১০ জানুয়ারি ২০১৮/সত্যের সৈনিক/সুলতান মাহমুদ

Leave A Reply

Your email address will not be published.